Varendra Times

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

অপেক্ষার প্রহর শেষ। বহুল আলোচিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ।এবারের নির্বাচনের সঙ্গে একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট। এজন্য ভোটারদের দেওয়া হবে আলাদা গোলাপি রঙের একটি ব্যালট পেপার। এতে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার-সংক্রান্ত চারটি নির্দিষ্ট প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রগুলোতে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি।বাংলাদেশে নির্বাচন একদিকে গণতান্ত্রিক উৎসবের প্রতীক, অন্যদিকে অতীত অভিজ্ঞতায় সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগও উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পূর্ববর্তী ১২টি নির্বাচনের মধ্যে মাত্র চারটিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় ছিল, বাকি আটটিতে ভোটের মান ও পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবারের নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

দিন যত গড়াচ্ছে, ততই বিএনপিমুখী রাজশাহী-১ আসনের বরেন্দ্র অঞ্চলের ভোটাররা

দিন যতই যাচ্ছে, ততই বিএনপিমুখী হয়ে উঠছেন রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের বরেন্দ্র অঞ্চলের খরাপীড়িত ও পোড়া মাটির পা-ফাটা ভোটাররা। স্থানীয় ভোটারদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, এই এলাকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বিএনপি ছাড়া সম্ভব নয়। সেই উপলব্ধি থেকেই ধীরে ধীরে বিএনপির দিকেই ঝুঁকছেন তারা।রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনটি বরাবরই একটি ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে চারজন প্রার্থী থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যে। ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সামরিক সচিব এবং প্রয়াত মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ছোট ভাই মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন। অপরদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লড়ছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর থেকেই দুই প্রার্থীই উপজেলার গ্রাম-গঞ্জ ও পাড়া-মহল্লায় আগাম নির্বাচনী প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। তবে এ আসনটি ঐতিহ্যগতভাবেই বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দৃশ্যমান হয়েছে, তার বড় অংশই বিএনপির শাসনামলেই বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে অতীতের ধারাবাহিক উন্নয়নের প্রত্যাশায় ভোটাররা আবারও বিএনপির দিকে ঝুঁকছেন।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সারা দেশের মতো তানোর-গোদাগাড়ীতেও বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যেই হবে মূল লড়াই। গত ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়। এরপর থেকে দুই প্রার্থী ও তাদের দলের নেতাকর্মীরা কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিরামহীনভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক। এমপি নির্বাচিত হয়ে তিনি সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান এবং দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অবহেলিত তানোরে উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দেন। সড়ক, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বক্ষেত্রেই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন তিনি। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৬ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।২০০৮ সালে মামলা জটিলতার কারণে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। এরপর ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও অনিয়ম ও সহিংসতার অভিযোগ ওঠে। পরে তিনি ইন্তেকাল করেন। ২০২৪ সালের নির্বাচন বিএনপি-জামায়াত জোট বর্জন করে।ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুরুতে জামায়াত প্রার্থী কিছুটা এগিয়ে থাকলেও বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভেদ নিরসনের পর পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যায়। বিশেষ করে এডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক মনোনয়ন প্রত্যাহার করে প্রার্থী শরীফ উদ্দীনের পক্ষে মাঠে নামার পর বিএনপির নেতাকর্মীরা এক কাতারে চলে আসেন। এতে করে ভোটের মাঠে ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।তানোর পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুর হাসান মাহমুদ রাজা বলেন, শুরুতে বিএনপির অবস্থান কিছুটা দুর্বল থাকলেও এখন ডোর টু ডোর প্রচারণা ও নারী ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ফলে পরিস্থিতি বদলে গেছে। তিনি বলেন, “এ আসন বিএনপির ঘাঁটি। ধানের শীষ ছাড়া অন্য প্রতীকের বিজয় এখানে সহজ নয়।”উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান বলেন, “বরেন্দ্র অঞ্চলের উন্নয়নের সঙ্গে ব্যারিস্টার আমিনুল হকের নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তার ছোট ভাই প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ভোটারদের মধ্যে সেই আবেগ এখনো কাজ করছে।”সব মিলিয়ে রাজশাহী-১ আসনে দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বিএনপির পক্ষে পাল্টে যাচ্ছে ভোটের সমীকরণ—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

দিন যত গড়াচ্ছে, ততই বিএনপিমুখী রাজশাহী-১ আসনের বরেন্দ্র অঞ্চলের ভোটাররা

রাজশাহী-১ আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মতবিনিময়

রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত ড. এম আসাদুজ্জামানের পুত্র ও বিএনপির মিডিয়া রিসার্চ সেলের প্রধান রেহান আসাদ রাতুল তানোর উপজেলার শিবতলা এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন।মতবিনিময়কালে রেহান আসাদ রাতুল বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং ভবিষ্যতে সেগুলো সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার আশ্বাস দেন।এ সময় তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান মিজান উপস্থিত ছিলেন আরও ছিলেন তানোর উপজেলা বিএনপির আহবাহক আখেরুজ্জামান হান্নান পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সনাতন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সভায় অংশ নেন।উল্লেখ্য, মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয় ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সভায় রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

রাজশাহী-১ আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মতবিনিময়

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

অপেক্ষার প্রহর শেষ। বহুল আলোচিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ।এবারের নির্বাচনের সঙ্গে একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট। এজন্য ভোটারদের দেওয়া হবে আলাদা গোলাপি রঙের একটি ব্যালট পেপার। এতে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার-সংক্রান্ত চারটি নির্দিষ্ট প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রগুলোতে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি।বাংলাদেশে নির্বাচন একদিকে গণতান্ত্রিক উৎসবের প্রতীক, অন্যদিকে অতীত অভিজ্ঞতায় সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগও উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পূর্ববর্তী ১২টি নির্বাচনের মধ্যে মাত্র চারটিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় ছিল, বাকি আটটিতে ভোটের মান ও পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবারের নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

রোনো রাউটার / পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

রোনো রাউটারকে Access Point (AP) Mode এ চালিয়ে ইথারনেট কেবলের মাধ্যমে মূল রাউটারের সঙ্গে যুক্ত করুন। এতে নেটওয়ার্কের গতি ও স্থায়িত্ব বেশি থাকবে। এর জন্য রাউটার রিসেট করে, ফার্মওয়্যার আপডেট করে, LAN থেকে WAN-এ কেবল সংযোগ দিয়ে ওয়েব সেটিংসে গিয়ে AP মোড চালু করতে হবে। ২. রিপিটার মোডে তারহীন সংযোগ যদি তার টানার সুযোগ না থাকে, তাহলে রিপিটার মোড ব্যবহার করুন। এতে পুরোনো রাউটার মূল ওয়াই-ফাই সংকেত ধরবে এবং নতুন নামে পুনঃসম্প্রচার করবে। তবে মনে রাখবেন, এতে ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কমে যায়-প্রায় অর্ধেক হতে পারে। ৩. প্রতিটি রাউটারের পদ্ধতি আলাদা হতে পারে সব রাউটার AP বা রিপিটার মোড সমর্থন করে না। তাই রাউটারের ইউজার ম্যানুয়াল বা নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে নির্দেশনা দেখে নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি ফার্মওয়্যার (যেমন: DD-WRT) ব্যবহার করেও বাড়তি ফিচার চালু করা সম্ভব।

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
রাজশাহী–১ (তানোর–গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনে আপনার পছন্দ কে?

রাজশাহী–১ (তানোর–গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনে আপনার পছন্দ কে?

  মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন
  অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২৭২ জন

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

অপেক্ষার প্রহর শেষ। বহুল আলোচিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ।এবারের নির্বাচনের সঙ্গে একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট। এজন্য ভোটারদের দেওয়া হবে আলাদা গোলাপি রঙের একটি ব্যালট পেপার। এতে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার-সংক্রান্ত চারটি নির্দিষ্ট প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রগুলোতে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি।বাংলাদেশে নির্বাচন একদিকে গণতান্ত্রিক উৎসবের প্রতীক, অন্যদিকে অতীত অভিজ্ঞতায় সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগও উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পূর্ববর্তী ১২টি নির্বাচনের মধ্যে মাত্র চারটিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় ছিল, বাকি আটটিতে ভোটের মান ও পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবারের নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

অপেক্ষার প্রহর শেষ। বহুল আলোচিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ।এবারের নির্বাচনের সঙ্গে একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট। এজন্য ভোটারদের দেওয়া হবে আলাদা গোলাপি রঙের একটি ব্যালট পেপার। এতে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার-সংক্রান্ত চারটি নির্দিষ্ট প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রগুলোতে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি।বাংলাদেশে নির্বাচন একদিকে গণতান্ত্রিক উৎসবের প্রতীক, অন্যদিকে অতীত অভিজ্ঞতায় সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগও উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পূর্ববর্তী ১২টি নির্বাচনের মধ্যে মাত্র চারটিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় ছিল, বাকি আটটিতে ভোটের মান ও পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবারের নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

অপেক্ষার প্রহর শেষ। বহুল আলোচিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ।এবারের নির্বাচনের সঙ্গে একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট। এজন্য ভোটারদের দেওয়া হবে আলাদা গোলাপি রঙের একটি ব্যালট পেপার। এতে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার-সংক্রান্ত চারটি নির্দিষ্ট প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রগুলোতে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি।বাংলাদেশে নির্বাচন একদিকে গণতান্ত্রিক উৎসবের প্রতীক, অন্যদিকে অতীত অভিজ্ঞতায় সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগও উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পূর্ববর্তী ১২টি নির্বাচনের মধ্যে মাত্র চারটিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় ছিল, বাকি আটটিতে ভোটের মান ও পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবারের নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

অপেক্ষার প্রহর শেষ। বহুল আলোচিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ।এবারের নির্বাচনের সঙ্গে একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট। এজন্য ভোটারদের দেওয়া হবে আলাদা গোলাপি রঙের একটি ব্যালট পেপার। এতে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার-সংক্রান্ত চারটি নির্দিষ্ট প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রগুলোতে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি।বাংলাদেশে নির্বাচন একদিকে গণতান্ত্রিক উৎসবের প্রতীক, অন্যদিকে অতীত অভিজ্ঞতায় সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগও উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পূর্ববর্তী ১২টি নির্বাচনের মধ্যে মাত্র চারটিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় ছিল, বাকি আটটিতে ভোটের মান ও পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবারের নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

চান্দুড়িয়া ইউনিয়নে ধানের শীষের গণসংযোগে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ

চান্দুড়িয়া ইউনিয়নে ধানের শীষের গণসংযোগে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ

রাজশাহীর তানোর উপজেলার চান্দুরিয়া ইউনিয়নের কাঠালপাড়া এলাকায় বুধবার গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী–তানোর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) মোঃ শরীফ উদ্দীন।প্রচারণা শুরু হতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকায় প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। কাঠালপাড়া ও আশপাশের গ্রামগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। বিভিন্ন বয়সী মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে এসে প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান এবং স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা।গণসংযোগকালে মেজর জেনারেল (অব.) মোঃ শরীফ উদ্দীন সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। তিনি মনোযোগ দিয়ে শোনেন স্থানীয়দের নানান সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা। এ সময় শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন মৌলিক বিষয় তুলে ধরেন এলাকাবাসী।এ বিষয়ে তিনি বলেন, ধানের শীষ জনগণের আস্থা ও সমর্থন পেলে চান্দুরিয়া ইউনিয়নসহ তানোর উপজেলার দীর্ঘদিনের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠাই হবে ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।গণসংযোগ কর্মসূচিতে ৭নং চান্দুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজাদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।কর্মসূচি শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ও পরিবর্তনের পক্ষে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

রাজশাহীতে ‘খালেদা জিয়া পরিষদ’ নামে বাড়ি দখলের চেষ্টা

মাদার অব ডেমোক্রেসি / রাজশাহীতে ‘খালেদা জিয়া পরিষদ’ নামে বাড়ি দখলের চেষ্টা

রাজশাহীতে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া পরিষদ’ নামের একটি ভুঁইফোড় সংগঠনের নামে বাড়ি দখলচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কার্যালয় করার নামে বাড়ি ভাড়া নিয়ে এই সংগঠনের কার্যালয় করা হয়েছিল। বাড়ির মালিকের দাবি, ভাড়া না দিয়ে বাড়িটি দখলেরও চেষ্টা হচ্ছিল।বিষয়টি জানতে পেরে রাজশাহী-২ (সদর) আসনের বিএনপির প্রার্থী ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু রোববার বিকেলে রাজশাহী নগরের উপশহর এলাকায় বাড়িটিতে গিয়ে ওই কার্যালয় উচ্ছেদ করেন।উপশহর দুই নম্বর সেক্টরের দুই নম্বর রোডের ৯৬ নম্বর চারতলা বাড়িটির মালিক আইনজীবী আকরামুল ইসলাম। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতির তিনবারের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। তবে বাড়ি থেকে এ সংগঠনকে উচ্ছেদ করতে পারছিলেন না।আকরামুল ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবরে সরকার জিয়াউর রহমান নামের এক ব্যক্তি ভবনের দোতলায় ২ হাজার ২৫০ বর্গফুটের বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন। আকরামুল ইসলামকে বলা হয়েছিল, ডেভেলপার ব্যবসা করার জন্য বাড়িটি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। তবে কিছুদিন পর আকরামুল দেখতে পান, বাড়ির সামনে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া পরিষদ’ নামের সংগঠনের জেলা ও মহানগর কার্যালয় হিসেবে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিন পর শতাধিক মানুষ এনে মাইক বাজিয়ে কর্মসূচিও পালন করা হয়। এ অবস্থায় বাড়ির অন্য ভাড়াটিয়ারা চলে যাচ্ছিলেন।তাই সরকার জিয়াউর রহমানকে বাড়ি ছাড়তে বলা হয়। কিন্তু তিনি বাড়ি ছাড়ছিলেন না। গত ১৪ ডিসেম্বর আকরামুল ইসলাম আইনজীবীর মাধ্যমে তাঁকে লিগ্যাল নোটিশ দিলেও কাজ হয়নি। এ অবস্থায় শনিবার আইনজীবীর ছেলে সায়েমুল ইসলাম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন।ওই স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়, ‘কতিপয় বিএনপির নেতাকর্মী দ্বারা আমাদের বাড়ি দখল! গত এক মাস ধরে কিছু নামধারী বিএনপি কর্মী বাসাটিতে অবৈধভাবে অবস্থান করছে এবং অফিসের নামে দখল করে রেখেছে। আমরা বারবার বাসা ছাড়ার জন্য তাগিদ দিলেও তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা বাসা ছাড়বে না। বাস্তবে তারা বাসাটি অবৈধভাবে দখল করে নিয়েছে এবং কোনো ধরনের ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল- কিছুই পরিশোধ করছে না।’ তাঁর বাবাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে সায়েমুল ইসলাম উল্লেখ করেন।এটি জানার পর রোববার বেলা ২টায় সংগঠনটিকে উচ্ছেদ করতে নিজেই যান বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান। তিনি তাঁর কর্মীদের দিয়ে বাড়ির সামনে থেকে সাইনবোর্ড ও ব্যানার নামিয়ে ফেলেন। তখন অফিসের ভেতরে কয়েকজন যুবক ছিলেন। তারা ভিড়ের ভেতর দিয়ে সটকে পড়েন।বাড়ির মালিক আকরামুল ইসলাম বলেন, ‘৫৮ হাজার টাকা জামানতে মাসিক ২৯ হাজার টাকায় বাড়িটি ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা কোনো ভাড়া দেয়নি। এমনকি বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসের বিলও দেয়নি। বাসা ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হলেও কাজ হয়নি। তারা দখলের চেষ্টা করছিল। এলাকার এমন কোনো বিএনপি নেতা নেই, যাঁর কাছে যাইনি। তাতেও কাজ হয়নি। মিনু ভাই বিষয়টি জানতে পেরে নিজেই এসে উচ্ছেদ করেছেন। অফিসের ভেতরে কিছু জিনিসপত্র আছে। এ জন্য মিনু ভাই তালা দিয়ে চাবি নিয়ে গেছেন। তারা এসে ঝামেলা করলে চাবি মিনু ভাইয়ের কাছে আছে বলে দিতে বলেছেন।’ভুঁইফোড় সংগঠনের কার্যালয় উচ্ছেদের সময় বাড়ির সামনে লাগানো একটি ব্যানারে দেখা যায়, সরকার জিয়াউর রহমান মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে ছবি দিয়েছেন। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জিয়াউর রহমান নামের আরেকজনের ছবি আছে। সরকার জিয়াউরের বাড়ি নগরের সপুরা নামোপাড়া মহল্লায়। আর জিয়াউর রহমানের বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায়।বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান বলেন, জাতীয় বা স্থানীয়ভাবে মাদার অব ডেমোক্রেসি-খালেদা জিয়া পরিষদ নামে কোনো সংগঠন নেই। ফেসবুকে এই কার্যালয়ের একটি পোস্ট দেখে তিনি উচ্ছেদ করেছেন।তিনি আরও বলেন, বাড়িওয়ালাও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তিনি সরল বিশ্বাসে ভাড়া দিয়েছিলেন। এখন দেখা যাচ্ছে, ওই ভাড়াটিয়ারা প্রতারণামূলকভাবে বাড়িটি ব্যবহার করতে চাচ্ছিলেন। বিষয়টি তিনি কেন্দ্রে জানাবেন এবং আইনি পদক্ষেপ নেবেন।যোগাযোগ করা হলে কথিত এই সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সরকার জিয়াউর রহমান জানান, তিনি রাজশাহী নগরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শাহ মখদুম থানা বিএনপির সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের জেলা কমিটির সভাপতি ছিলেন। কমিটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমানের বাড়িও রাজশাহীতে। তিনিও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা ভুঁইফোড় নন।সরকার জিয়াউর রহমান বলেন, ‘বিএনপির সহযোগী সংগঠন আছে প্রায় ২০০টি। সবাই সব সংগঠন না-ও চিনতে পারেন। কিন্তু আমাদের সংগঠন ভুঁইফোড় নয়। আমাদের বিভিন্ন জায়গায় কমিটি আছে। আমরা বাড়ি দখলেরও চেষ্টা করিনি। বাড়িওয়ালা ভাড়া দিয়েছেন বলেই উঠেছি। তিনি বাড়ি ছাড়ার নোটিশ দিয়েছেন। কিন্তু ছাড়তে হলেও তো সময় দরকার। এ জন্য ছাড়া যায়নি। আমরা বিভিন্ন জায়গায় অফিস দেখছিলাম। পছন্দ হলে চলে যেতাম।’

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

অপেক্ষার প্রহর শেষ। বহুল আলোচিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ।এবারের নির্বাচনের সঙ্গে একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট। এজন্য ভোটারদের দেওয়া হবে আলাদা গোলাপি রঙের একটি ব্যালট পেপার। এতে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার-সংক্রান্ত চারটি নির্দিষ্ট প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রগুলোতে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি।বাংলাদেশে নির্বাচন একদিকে গণতান্ত্রিক উৎসবের প্রতীক, অন্যদিকে অতীত অভিজ্ঞতায় সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগও উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পূর্ববর্তী ১২টি নির্বাচনের মধ্যে মাত্র চারটিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় ছিল, বাকি আটটিতে ভোটের মান ও পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবারের নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

রাত পোহালেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

অপেক্ষার প্রহর শেষ। বহুল আলোচিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ।এবারের নির্বাচনের সঙ্গে একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট। এজন্য ভোটারদের দেওয়া হবে আলাদা গোলাপি রঙের একটি ব্যালট পেপার। এতে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার-সংক্রান্ত চারটি নির্দিষ্ট প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রগুলোতে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি।বাংলাদেশে নির্বাচন একদিকে গণতান্ত্রিক উৎসবের প্রতীক, অন্যদিকে অতীত অভিজ্ঞতায় সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগও উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পূর্ববর্তী ১২টি নির্বাচনের মধ্যে মাত্র চারটিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় ছিল, বাকি আটটিতে ভোটের মান ও পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবারের নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি

ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম / ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচার, উপাচার্য-প্রক্টরের পদত্যাগ ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও ছাত্রদলের নেতাদের একটি প্ল্যাটফর্ম ‘সন্ত্রাস বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ’।শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বর থেকে বের হয়ে মশাল মিছিলটি কলাভবন, হলপাড়া, রেজিস্ট্রার ভবন ঘুরে ভিসি চত্বরে এসে শেষ হয়।এ সময় ‘সাম্য হত্যার বিচার চাই’, ‘ভিসি প্রক্টরের অনেক গুণ, নয় মাসে দুই খুন’, ‘আমার ভাই কবরে, প্রক্টর কেন চেয়ারে’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া দেন মিছিলকারীরা।১৩ মে রাত ১১টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরিকাঘাতে আহত হন সাম্য। রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পরদিন সকালে সাম্যের বড় ভাই শরীফুল আলম শাহবাগ থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।সাম্য হত্যার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে।এতে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো বিশ্লেষণ করছেন তারা। একই সঙ্গে কিছু কিছু বিষয়ে আরও স্বচ্ছতার জন্য আসামিদের পুনরায় তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই হত্যার কারণ উদঘাটন ও আসামিদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।